ঢাকা শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১


খোয়াই নদী বেদখল না করলে ডিসিকে জবাব দিতে হবে


প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২০ ০৫:৫২

আপডেট:
৪ এপ্রিল ২০২৫ ০৩:১৩

ফাইল ছবি

পরিবেশ টিভি: জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান নদীদূষণ করে তাদের জরিমানা করে কিছুই হবে না। গ্রেফতার করতে হবে। আইনে সে সুযোগ দেওয়া আছে। আর দেশে ১ বছরের মধ্যে সব নদীর অবৈধ দখলমুক্ত করতে না পারলে জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহি করতে হবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাপা ও খোয়াই রিভার ওয়াটার কিপার আয়োজিত ‘হবিগঞ্জে পুরাতন খোয়াই নদীর চলমান উদ্ধার অভিযান ও বর্তমান অবস্থা শীর্ষক নাগরিক সংলাপে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট থেকে বলা হয়েছে নদী দখলকারী যত ক্ষমতাবানই হোন না কেন তাকে উচ্ছেদ করতে হবে। আর নদী নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের নিরাপত্তা চাহিবামাত্র নিশ্চিত করতে হবে। যদি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি পাওয়া যায় ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মাধবপুর উপজেলার সোনাই নদীতে নির্মিত সায়হাম ফিউচার পার্ক উচ্ছেদ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বারবার ফ্যাক্স করার পর কেন উচ্ছেদ করা হলো না তা তিনি জানতে চান। পরে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন এটি উচ্ছেদের জন্য। অন্যথায় নিজে এসে উচ্ছেদ করবেন বলে জানান। হবিগঞ্জের পুরাতন খোয়াই নদীতে মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি নিজে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা করি। নিজে এবং পরিবারের অনেকেই মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। কিন্তু কোথাও লেখা নেই মুক্তিযোদ্ধাদের নদীর জমি দিতে হবে। বাপা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ইকরামুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেলের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপার আজীবন সদস্য ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল। আলোচনায় অংশ নেন নদী বিশেষজ্ঞ এবিএম ছিদ্দিকুর রহমান, সাজিদুর রহমান, অমিতাভ পরাগ তালুকদার, শৈলেন চাকমা প্রমুখ।


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top