ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১

সন্ত্রাসী তৎপরতার জন্য বান্দরবানে পর্যটন ব্যবসায় ধস


প্রকাশিত:
৮ এপ্রিল ২০২৪ ২১:৪৩

আপডেট:
৩ এপ্রিল ২০২৫ ০৬:৩১

ঈদ, পহেলা বৈশাখ ও সাংগ্রাই উৎসব ঘিরে প্রতি বছরই বান্দরবানে ব্যাপক পর্যটকের সমাগম হয়। বছরঘুরে এসব উৎসব এলেও এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। সম্প্রতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) হামলার কারণে হোটেল-মোটেল বুকিংয়ের পরও পাহাড়ে ভ্রমণ বাতিল করছেন পর্যটকেরা। এতে ভরা মৌসুমে আবারও লোকসানের দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

পাহাড় আর মেঘের মিতালি দেখতে প্রতি বছর হাজারো পর্যটক ভিড় করেন বান্দরবানে। ঈদ কিংবা অন্য ছুটিতে কিছুটা সময় পেলেই সমাগম বাড়ে কয়েকগুণ। এবারও ঈদের ছুটি, পহেলা বৈশাখ ঘিরে কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই বুকিং হয়েছিল বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল।

তবে গত মঙ্গলবার থেকে অশান্ত হয়ে ওঠে বান্দরবানের পরিস্থিতি। সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি চিনের ব্যাংকে হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনার পর ভ্রমণ বাতিল করছেন পর্যটকেরা।

বান্দরবানে চলাচলকারী এক চান্দের গাড়িচালক বলছেন, ঈদ কিংবা অন্য ছুটিতে কিছুটা সময় পেলেই বান্দরবানে সমাগম বাড়ে পর্যটকদের। কিন্তু গত মঙ্গলবার থেকে অশান্ত হয়ে ওঠে বান্দরবানের পরিস্থিতি। ফলে অনেকেই বুকিং বাতিল করে দিচ্ছে।

হোটেল মালিকেরা বলছেন, ব্যাংকে হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনার পর ভ্রমণ বাতিল করছেন পর্যটকেরা। আগে থেকে করে রাখা বুকিং বাতিল হওয়ায় আশানুরুপ ব্যবসা হবে না এবার।

গত ১৫ মাস ধরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লোকসান গুণতে হচ্ছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এবার ঈদে সেই ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে ওঠার আশা ছিল ব্যবসায়ীদের মধ্যে। হঠাৎ পাহাড়ে সহিংসতার কারণে আবারও লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

বান্দরবানের হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, সমস্যা সমাধানে হামলাকারীদের সঙ্গে সরকার আলোচনা করে দ্রুত একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারলে, পর্যটন শিল্প ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে।

পাহাড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটনের বিকাশে সরকারি পদক্ষের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top