ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে জানুয়ারী ২০২২, ৮ই মাঘ ১৪২৮

অবৈধ ইটভাটায় বিপন্ন পরিবেশ


প্রকাশিত:
১৩ জানুয়ারী ২০২২ ১৩:১২

আপডেট:
২০ জানুয়ারী ২০২২ ০৮:৩১

যশোরের কেশবপুরে বারুইহাটি গ্রামে অবৈধ ভাটায় আবারও পোড়ানো হচ্ছে ইট। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে চার বছর আগে ভাটাটি বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

সড়কের পাশে কাস্তা বারুইহাটি চৌরাস্তার মোড়ে রোমান ব্রিকস নামের ওই ভাটার অবস্থান। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে তিন ফসলি জমিতে ভাটাটি নির্মাণ করা হয়। ফসলি জমি রক্ষা ও পরিবেশ বাঁচাতে এলাকাবাসী প্রথম থেকেই ভাটার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ভাটার মালিক আবু বকর সিদ্দিকী গ্রামের কৃষকদের মারপিট করে মিথ্যা মামলা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনবার অভিযান চালিয়ে ভাটাটি বন্ধ করে দেন। ২০১৮ সালে ভাটার মালিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তারপরও প্রভাব খাটিয়ে প্রতিবছরই ইট পোড়ানো হয়। ওই ভাটার জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স নেই এবং নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, চলতি মৌসুমে গত নভেম্বরে অবৈধ ভাটাটিতে কার্যক্রম শুরু হয়। ২০ ডিসেম্বর শুরু হয় ইট পোড়ানোর কাজ। অনতিবিলম্বে ভাটাটির কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান গ্রামবাসী।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, তিনি জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

ভাটার পাশেই ১০ কাটা জমি রয়েছে বারুইহাটি গ্রামের কৃষক নূর আলীর। সেখানে তিনি ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, এই জমি চাষাবাদ করে তাঁর সংসার চলে। ভাটার ছাইয়ে ফসলের সমস্যা হচ্ছে।

আরেক সবজিচাষি খোদা বকস বলেন, ভাটার কারণে সবজি উৎপাদন কমে গেছে। ভাটার ছাই ও বালুতে সবজির রং নষ্ট হয়ে গেছে। দামও পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে ইউএনও এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ভাটাটির অনুমোদন না থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top