ঢাকা রবিবার, ২৪শে অক্টোবর ২০২১, ১০ই কার্তিক ১৪২৮

এমপি শামীম ওসমানের ব্যবস্থাপনায় তিন দিনেই নিরসন হলো ৮ বছরের জলাবদ্ধতা


প্রকাশিত:
৯ জুলাই ২০২১ ০৪:৩৪

আপডেট:
২৪ অক্টোবর ২০২১ ২০:৪৮

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ২২ হাজার মানুষ প্রায় ৮ বছর ধরে পানিবন্দি। সম্প্রতি সেই এলাকায় পানি আগের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ওয়ার্ডবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে তোলপাড় সৃষ্টি হলে এমপি শামীম ওসমান তিন দিনের মধ্যে ওই ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন।

বুধবার বিকালে ফতুল্লার লালপুর জালাল হাজীর পুকুরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বুস্টার পানি নিষ্কাশন পাম্প স্থাপন করা হয়। এ পাম্প ৪নং ওয়ার্ড অর্থাৎ ডিএনডির অভ্যন্তর থেকে পানি টেনে বুড়িগঙ্গা নদীতে নিষ্কাশন করছে। এক ঘণ্টায় ওই পাম্পে যে পরিমাণ পানি নিষ্কাশন হয়েছে তাতে ওয়ার্ডবাসীর কাছে এটি একটি ম্যাজিকের মত মনে হচ্ছে।

লালপুর মসজিদ কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি নাসির মিয়া বলেন, আমাদের ৪নং ওয়ার্ডে প্রায় ২২ হাজার লোকের বসবাস। ৮ বছর যাবত পানিবন্দি হয়ে আছি। এতে পানিবাহী রোগে অনেক নারী পুরুষ ও শিশু আক্রান্ত হয়েছে। বাসা বাড়ির পাম্প থেকে বিশুদ্ধ পানি উঠিয়ে খেতে পারিনি। উঁচু স্থানে রান্না করে খেতে হয়েছে। ভালো জামা কাপড় পড়ে বাসা থেকে বের হতে পারিনি। অসহ্য দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে আমাদের। আজ মনটা অনেক ভালো লাগছে। অনেক দ্রুত পানি নিষ্কাশন হচ্ছে। মনে হয় শামীম ওসমান ম্যাজিক দেখাচ্ছে।

পাম্পের তত্ত্বাবধানে থাকা নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী জানান, ফতুল্লা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চার দিকের এলাকা উঁচু হওয়ায় পানি নিষ্কাশন হতে পারে না। পয়ঃনিষ্কাশনের পানিতে মানুষ কোনো মতে চলাফেরা করতে পারলেও সম্প্রতি বৃষ্টির পানি জট বেঁধে প্রায় কোমর সমান বৃদ্ধি পেয়েছে। এমপি শামীম ওসমান বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসীকে ডেকে দ্রুত এর সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে বুস্টার নামে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেল চালিত একটি পাম্প ৪নং ওয়ার্ডের লালপুর রওশন হাউজিং এলাকায় জালাল হাজীর পুকুরে স্থাপন করা হয়েছে। এক ঘণ্টায় যে পরিমাণের পানি নিষ্কাশন হয়েছে তাতে আশা করা যায় তিন দিনের মধ্যে লালপুরের প্রতিটি বাসাবাড়ির ও সড়কের পানি শুকিয়ে যাবে। এ পাম্পটি অনেক ব্যয়বহুল; দৈনিক ৩০ হাজার টাকার ডিজেল খরচ হবে। আপাতত এ পাম্প চলবে। পরে ডিএনডি প্রকল্পের আওতায় স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে।


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top