বুধবার বিকালে উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে আমফান

বাংলাদেশ উপকূলের বেশ কাছাকাছি চলে এসেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৬ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, দেশের সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে ৫০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। এটি ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ উপকূলে এগিয়ে আসছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা ঝড়ো হাওয়া আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের সম্মুখভাগে থাকায় মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলের জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট,পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী এই সংকেতের আওতায় রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আমফান আতিক্রমের সময় এসব এলাকায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে।
এর পাশাপাশি উপকূলীয় চর ও নিম্নাঞ্চল ৫ থেকে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে। এদিকে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাবে বুধবার সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সাথে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো বাতাস। এমন বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া বৃহষ্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
বিষয়: আমফান
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: