ঢাকা রবিবার, ২৩শে জুন ২০২৪, ১০ই আষাঢ় ১৪৩১


বলেশ্বরের জেগে ওঠা চরের জমিতে এ বছর ব্যাপকভাবে আখের আবাদ


প্রকাশিত:
১ আগস্ট ২০২২ ০৮:৩৪

আপডেট:
২৩ জুন ২০২৪ ০৭:১০

 

চিতলমারীর চিত্রা নদীর চরে একদিকে গড়ে উঠেছে মিনি সুন্দরবন। অন্যদিকে, বলেশ্বর নদের জেগে ওঠা চরের উর্বর ভূমিতে চাষ হচ্ছে নানা ফসল। ধান-পাট ও সবজি চাষের পাশাপাশি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী বলেশ্বর নদের তীরবর্তী চরডাকাতিয়া গ্রামের বাসিন্দারা এবার আখ চাষ শুরু করেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বলেশ্বরের জেগে ওঠা চরের জমিতে এ বছর ব্যাপকভাবে আখের আবাদ করা হয়েছে। চাষিরা বর্তমানে আখ খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আখচাষি যতিশ হীরা জানান, তিনি ১৭ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছেন। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশানুরূপ ফলন পাবেন বলে জানান তিনি। এছাড়াও ঐ এলাকার জিতেন ডাকই ৩৩ শতক, রনজিত হীরা ১৭ শতকসহ ঐ গ্রামের অসংখ্য চাষি আখ আবাদ করেছেন।

চাষি মিলন হীরা ও কিরণ মণ্ডল জানান, ধান-সবজি চাষের বিকল্প হিসেবে আখ চাষ অনেক লাভজনক।

উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অসীম কুমার দাস জানান, এ বছর চরবানিয়ারী এলাকায় আখের চাষ হয়েছে। অন্য এলাকার চেয়ে এখানকার মাটি আখ চাষের উপযোগী। ফলন ভালো হলে প্রতি হেক্টর জমি থেকে ৭-৮ লাখ টাকার আখ বিক্রি করা সম্ভব।


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top